ব্রেকিং নিউজ

সারিয়াকান্দিতে ব্লাষ্ট রোগের লক্ষণ ও দমন ব্যবস্থা পত্র বিতরণ

পাভেল মিয়া, স্টাফ রির্পোটার: ব্লাষ্ট ভাইরাস প্রতিকারের অভাবে প্রান্তিক কৃষকদের যেন স্বপ্নের ঘরে বাঁজ না পড়ে এজন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ব্লাষ্ট রোগের লক্ষণ ও দমন ব্যবস্থা পত্র বিতরণ করেছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শুক্রবার দুপুরে পূর্ব বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী জোড়গাছা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আগন্তক কৃষকদের ধানখেতে ব্লাষ্ট রোগের লক্ষণ ও দমন ব্যবস্থা সম্পর্কে কৃষি পরামর্শ প্রদান ও কৃষকদের মাঝে ব্যবস্থা পত্র (লিফলেট) বিতরণ করা হয়। লিফলেট বিতরণ পূর্বক কৃষি পরামর্শ প্রদান করেন, উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের জোড়গাছার দায়িত্বরত কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শফিউল আলম।

ব্লাষ্ট রোগের জীবানু-পাইরিকুলারিয়া অরাইজী। যা একটি বায়ু বাহিত রোগ। এটি এক জমি থেকে বাতাসের মাধ্যমে অন্য জমিতে সহজে বিস্তার লাভ করে। মূলত জমিতে অধিক পরিমাণে ইউরিয়া সার এবং বাতাসের আদ্রতা, রাতে ঠান্ডা দিনে গরম সকালে শিশির ব্লাষ্ট রোগের প্রকোপ বাড়ায়।

কোন জমিতে এ পাতা শুকনা, কান্ড মরা এবং ধানের চারা পূর্ণ বয়স্ক না হতেই শীষ পাঁকার মত আকার ধারণ করলে বুঝতে হবে জমিতে ব্লাষ্ট রোগ আক্রমন করেছে। আক্রান্ত খেতে প্রতি ৫শতক জমিতে নাটিভো ৭৫ ডব্লিউজি ৬গ্রাম ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে উত্তরাত্তর ফল পাওয়া যাবে। এছাড়াও এমিষ্টার টপ, সিলেক্ট প্লাস ১০মিলি ১০লিটার পানিতে, ট্রুপার ৭৫ ডব্লিউপি ৭.৫ গ্রাম ১০লিটার পানিতে, দিফা ৭৫ ডব্লিউজি ৬গ্রাম ১০ ১০লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যাবে।

এছাড়া তিনি বলেন, যে সকল জমিতে এ রোগ আক্রমন করেনি সে সব জমিতে উল্লেখিত কিটনাশক ব্যবহার করলে শতভাগ ফল পাওয়া যাবে। এসময় তিনি জোড়গাছা গ্রামের অধিক ধান রোপনকারি মোঃ জামাল সরকারের হাতে ব্যবস্থা তুলে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, ৯নং ওয়ার্ডের সফল কৃষক আলহাজ্ব আব্দুল হালিম (চাঁন), ছনি মিয়া ও মুসল্লিবৃন্দ।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *