ব্রেকিং নিউজ

বগুড়ায় দীর্ঘদিনের চলাচলের রাস্তায় ইটের প্রাচীর দিয়ে প্রতিবন্ধকতা

সৃষ্ঠি জনগনের দুর্ঘোভ চরমে ঃ থানায় অভিযোগ
বগুড়ায় দীর্ঘদিনের পায়ে চলাচলের রাস্তায় ইটের প্রাচীর দিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্ঠি করে জনগনের দুর্ঘোভ দৃষ্টি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বগুড়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন কাটনারপাড়া এলাকার মুনজুর ময়েন উদ্দিন সরকার। অভিযোগ সুত্রে ও ঘটনাস্থল সরেজমিন পরিদর্শন করে জানা গেছে বগুড়া শহরের কাটনারপাড়া এলাকার ডাঃ মুনছুর রহমান, হাবিবুলাহর স্ত্রী সোহেলী আকতার, সিরাজুল ইসলাম, এবং নুরী বেগম গত শুক্রবার বিকালে পৌরসভার নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বসত বাড়ির পুর্ব পার্শে পায়ে চলাচলের রাস্তায় ভীত খনন করে নির্মান কাজ করার প্রস্তুতি গ্রহন করলে তখন ময়েন উদ্দিন সহ অন্যান্য লোকজন বাধা প্রদান করে, তখনকার মত তারা নির্মান কাজ বন্ধ করে চলে যায়। এরপর শনিবার সকাল ১০টার দিকে উপরে উল্লেখিত ব্যাক্তিগন সহ রফিকুল, যুবলীগ নোত মোঃ হাবিব এবং আদম শেখ সহ সঙ্গীয় আরো ১০/১২জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির যুবকদের সহায়তায় জোরপুর্বক পায়ে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে নির্মান কাজ শুরু করে প্রায় ৪ ফিট উচ্চতা বিশিষ্ট প্রাচীর নির্মান করে। তখন ময়েন ও তার পরিবারের অন্যান্য লোকজন বাধা দিতে গেলে তারা আমকে বেদম মারপিট করে এমতাবস্থায় আমার মেয়ে শামিমা আকতার সীমা আমাকে বাচাঁতে এগিয়ে আসলে তাকে মারধর করে আহত করে এবং পড়নের কাপর ছিড়ে ফেলে শ্লীলতাহানী ঘটায়। এ বিষয়ে অত্র ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কবিরাজ তরুন কুমার চক্রবর্তী অবহিত করলে তিনি ঘটনাস্থলে সরেজমিন পরিদর্শনে আসেন এবং ঘটনার সত্যতা পায়। তিনি তখন তাদেরকে কাজ বন্ধ করতে বলে । এ অবস্থায় উপরেল্লিখিত লোকজন চলাচলের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছে এবং যেকোন মুহুর্তে আবারো হামলা করতে পারে। সেখানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে যেকোন মুহুর্তে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। এ অবস্থায় ময়েন উদ্দিন সরকারের পরিবারের লোকজন সহ পার্শবর্তী লোকজন সবাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে বগুড়া ফুলবাড়ি পুলিশ ফাড়িঁর এস আই শহিদুল ইসলাম অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি এবং রবিবার সকালে উভয় পক্ষকে আপোষ মীমাংসা করার জন্য ফাঁিড়তে ডেকেছি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *