‘ফ্লিনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেয়ার বিষয়টি জানতেন ট্রাম্প’

যমুনা নিউজ বিডি ডেস্ক: রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের বিষয়ে মাইকেল ফ্লিনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ার বিষয়টি কয়েক সপ্তাহ আগেই জানতেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির প্রশাসনের একজন মুখপাত্র মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছেন।

দায়িত্ব নেওয়ার আগেই ফ্লিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত সের্গেই কিসলিয়াকের সঙ্গে আলোচনা করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। সেই আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়ারও অভিযোগ রয়েছে ফ্লিনের বিরুদ্ধে।  এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করা হয়।

অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফ্লিন ভোটের প্রচারের দিনগুলোতে জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত বিষয়গুলোতে ট্রাম্পের পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি দায়িত্বের বাইরে কারও কূটনৈতিক যোগাযোগ করার এখতিয়ার নেই। আর গতবছর শেষ দিকে ফ্লিন যখন রুশ দূতের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখনও নতুন প্রশাসনে তার নিয়োগ পাকা হয়নি।

গত ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট ফ্লিনের রুশ যোগাযোগ নিয়ে হোয়াইট হাউজকে সতর্ক করে দিয়েছিল। বলা হয়েছিল, ফ্লিন রাশিয়ার ব্লাকমেইলের শিকার হতে পারেন। রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে কি কথা হয়েছে তা যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের হাতে রয়েছে বলেও এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন।

হোয়াইট হাউজের মুখপাত্র শন স্পাইসার বলেন, রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফ্লিনের আলোচনার সব সত্য যে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে বলেননি তা জানুয়ারির শেষের দিকে জানতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

“আস্থা হারানোর পর প্রেসিডেন্ট তাকে পদত্যাগ করার জন্য বলেন। পরে সোমবার তিনি পদত্যাগ করেন। বিষয়টি সম্পূর্ণই সততা ও আস্থার,” বলেন তিনি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *