ধুনটে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে ১৭ গ্রাহকের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি.
বগুড়ার ধুনটে দীর্ঘ মেয়াদি বিল বোকেয়ার অভিযোগে পল্লী বিত্যুৎ সমিতির ১৭জন গ্রাহকের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। মঙ্গলবার সকালে ধুনট শহরে ভ্রাম্যমান আদালতে নেতৃত্ব দেন নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মুহাম্মাদ ইব্রাহীম।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ধুনট অফিস সূত্রে জানা যায়, পূর্ব ভরণশাহী গ্রামের রফিকুল ইসলাম তাঁর চালকলের সংযোগ থেকে একটি ইট ভাটায় পার্শ্ব সংযোগ দিয়েছেন। ১ মাসে তাঁর বকেয়া বিল রয়েছে ১ লাখ ১৩হাজার ৭৬১টাকা। ধুনট সদরের মতিয়ার রহমানের বাণিজ্যিক মিটারে ২০ মাসে ৭১হাজার ৭০০টাকা বকেয়া বিল রয়েছে। অফিসারপাড়ার হোসেনের আবাসিক সংযোগে ৩৬ মাসের বকেয়া বিল রয়েছে ৬৬হাজার ৩৩২টাকা। এছাড়া ধুনট বাজারের রাহাদ হোটেলের দু’টি বাণিজ্যিক মিটারে ১৫ মাসের ৮৭হাজার ৯৫৯টাকা বকেয়া রয়েছে। সিকতা সিনেমা হলের ৮মাসের বকেয়া বিল ৫২হাজার ৬৮৬টাকা, সোনামুখী রোডে খোরশেদ আলমের আবাসিক সংযোগে ২৮ মাসে ৫৬হাজার ৮৩৮টাকা, সাইদুল ইসলামের ২৭ মাসে ৪৪হাজার ৭৮১টাকা, রাশেদুল ইসলাম শিপনের ১৩ মাসের ১০হাজার ৫৯৪টাকা, মোহাম্মদ আলীর ১৮ মাসের ২২হাজার ৯০৭টাকা, অফিসারপাড়ার কছিম উদ্দিনের ছেলে শফিকুল ইসলামের ১২ মাসে ৪৮হাজার ২৫১টাকা, সোহরাব উদ্দীনের ছেলে শফিকুল ইসলামের ৪৫ মাসে ৩৩হাজার ৯২৪টাকা, আসাদুজ্জামান স্বপনের ২২ মাসে ২৬হাজার ৪৮১টাকা, ফুলেরা বেগমের ২০ মাসে ২৫হাজার ৮৩৬টাকা, আব্দুল খালেক আকন্দের ১২ মাসে ২০হাজার ৮০৬টাকা, কলেজ রোডের বিশ্বনাথ কর্মকারের ১০ মাসের ১০হাজার ৯৮৭ ও বাবলু মন্ডলের ১৮ মাসে ১৪ হাজার ৫৬৮টাকা বকেয়া রয়েছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ধুনট অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার বিজয় কুমার জানান, ১৭ জন গ্রাহকের নিকট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পাওনা ৭ লাখ ৮হাজার ৪১১টাকা। বকেয়া’র টাকা আদায়ে দীর্ঘদিন তাদের তাগাদা দেওয়া হয়। কিন্তু পাওনা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ভ্রাম্যমান আদালতের আশ্রয় নেয়। মঙ্গলবার সকালে ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে সংযোগ গুলো বিচ্ছিন্ন করেন। এসময় বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (প্রশাসন) মোর্শেদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *