ব্রেকিং নিউজ

দিনাজপুরের মধ্যপাড়া খনিতে পাথর উৎপাদন ১ লক্ষ মে: টন ছাড়িয়েছে


মেহেদী হাসান উজ্জল,ফুলবাড়ী দিনাজপুর প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার মধ্যপাড়া পাথর খনিতে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জার্মানীয়া-ট্রেষ্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর ব্যবস্থাপনায় মাসিক ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। গত মার্চ/১৮ মাসে জিটিসি কর্তৃক খনি থেকে পাথর উৎপাদন ১ লক্ষ মেট্রিক টন ছাড়িয়েছে।
খনি সুত্রে জানা গেছে, মধ্যপাড়া কঠিন শিলা প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা, রক্ষনাবেক্ষণ এবং পাথর উত্তোলন কাজে নিয়োজিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান জিটিসি খনির নতুন স্টোপ নির্মান এবং উন্নয়নে অত্যাধুনিক ও বিশ্বমানের যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ স্থাপন করে খনি থেকে পাথর উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ফলশ্রুতিতে পাথর উৎপাদন দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাথর খনি থেকে মাসিক ১ লক্ষ ২০ হাজার টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নিয়ে জিটিসি’র ব্যবস্থাপনায় বিদেশী এবং দেশী খনি প্রকৌশলী এবং তাদের প্রশিক্ষিত খনি শ্রমিকরা তিন শিফটে দিনে ও রাতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ফলে জিটিসি’র মাসিক পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হতে চলেছে। চলতি বছরের গত মার্চ মাসে (সাপ্তাহিক ও সরকারী ছুটি ব্যাতীত) জিটিসি কর্তৃক মধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে তিন শিফটে পাথর উৎপাদন ১ লক্ষ টন ছাড়িয়ে গেছে।
খনির জার্মানীয়া-ট্রেষ্ট কনসোর্টিয়াম (জিটিসি) এর জেনারেল (জিএম)জাবেদ সিদ্দিকি জানান, জিটিসি পাথর খনির উন্নয়নে এবং ভু-গর্ভে নতুন স্টোপ (শিলা উৎপাদন ইউনিট) নির্মানে দক্ষতা এবং সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন। তাদের ব্যব¯া’পনায় খনি থেকে পাথর উত্তোলন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং মাসিক ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় জিটিসি সফল হবেন বলে তারা মনে করছেন। এতে করে খনি কর্তৃপক্ষ (এমজিএমসিএল) পাথর বিক্রি করে লাভের মুখ দেখবে এবং অচিরেই খনিটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে বলে তিনি আশা করছেন।
উল্লেখ্য যে, গত ২৩ মার্চ মধ্যপাড়া পাথর খনি থেকে মাসিক ১ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন পাথর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় জিটিসি কর্তৃক নির্মিত ৯ নং স্টোপ হতে পাথর উৎপাদনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব নসরুল হামিদ এমপি।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *