‘তামিমের মাথা কাজ করছিল না’!

লক্ষ্মণ সান্দাকানের বলে কট বিহাইন্ডের আবেদন করলেন ডিকভেলা। আবেদন শুনেও তামিম ইকবাল বুঝতে পারেননি বলটা জমা আছে উইকেটকিপারের গ্লাভসেই! অহেতুক দৌড় দিতে গিয়ে রানআউট! গল টেস্টের দ্বিতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে আসা চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও তামিমের অদ্ভুত রান আউটের ব্যাখ্যা খুঁজে পেলেন না! বাংলাদেশ কোচের সংবাদ সম্মেলনের চুম্বক অংশ এখানে—

তামিমের ‘বুদ্ধিনাশ’
এখন পর্যন্ত তার (তামিম) সঙ্গে কথা হয়নি। নিশ্চয়ই জানেন, ক্রিকেটে এখন মাথা কাজ না করা বা ব্রেইনফেড শব্দটা এখন খুব চলছে। এখানেও সেটাই হয়েছে। খুবই হতাশ আমি। আমরা ওই সময়টাতে ভালোভাবে এগোচ্ছিলাম। তারা খুবই ভালো ব্যাটিং করছিল, কোনো জুজু ছিল না। সে (তামিম) আসলে ভালোই ব্যাটিং করছিল। যেভাবে ইনিংসটা এগিয়ে নিচ্ছিল, আমি সন্তুষ্ট। ও হয়তো ভেবেছিল, বলটা উইকেটকিপারের পেছনে গেছে। আউটটা নিয়ে একটি জিনিসই বলতে পারি, ওর মাথা কাজ করছিল না!

কত রান নিরাপদ
যদি পারি ৬০০। প্রথম ইনিংসটা গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করব তাদের (৪৯৪) কাছাকাছি কিংবা তাদের ছাড়িয়ে যেতে। আমি মনে করি, ৫০০ রান করার সামর্থ্য আমাদের আছে। এটাই এখন আমরা ভাবছি। যদিও অনেক দূর যেতে হবে। মাত্রই দুদিন খেলা হয়েছে। কাল কত রান করি, সেটাই হয়তো ঠিক করে দেবে—আমরা জিতব, হারব নাকি পঞ্চম দিনে ড্র করব।

সুযোগ হাতছাড়া

আমাদের তরুণ বোলিং আক্রমণ নিয়ে পুরোপুরি খুশি নই। সাকিব বাদে অন্যদের সম্মিলিত টেস্ট খেলার অভিজ্ঞতা মাত্র ১৫টি। ‘নো’ বলটা (শুভাশিস রায়ের) নিয়ে আমি হতাশ। এখানে আপনার কিছু করার নেই। ন্যাড়া উইকেটে টসে হেরেও ওদের ৫০০-এর নিচে আটকা রাখাটা অবশ্যই ভালো চেষ্টা। তবে হ্যাঁ, ওই উইকেটটা (কুশল মেন্ডিসের) যদি পেতাম, ছবিটা অন্য রকমও হতে পারত।

শ্রীলঙ্কান হয়ে শ্রীলঙ্কার ‘শত্রু’
আমি সব সময়ই কোচিং উপভোগ করি। একজন শ্রীলঙ্কান হয়ে সিরিজটা উপভোগ করছি। এখানকার মানুষকে আমি জানি। সবার কাছ থেকে অনেক প্রশংসা পাচ্ছি। ভীষণ পছন্দ করি বিষয়টা।

About The Author

Related posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *